পরিস্থিতি কাজে ফেরার উপযোগী হওয়ার অপেক্ষায় প্রহর গুণছেন অভিনেত্রী শর্মী ইসলাম

0
112

ইমরুল শাহেদ : প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসের নিষ্ঠুরতা কবে নাগাদ মানসভ্যতাকে মুক্তি দিবে সেটা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। থমকে যাওয়া জনপদ, জীবনযাত্রার চাকা কবে সচল হবে সেটাও বলা যাচ্ছে না। তাই বলে জীবন ও জীবিকাতো আর থেমে থাকবে না। মডেল ও টিভি অভিনেত্রী শর্মী ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি কবে নাগাদ কাজে ফেরার উপযোগী হয়ে উঠবে তার অপেক্ষায় প্রহর গুণছি। প্রতিদিন লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন শোনা একজন মানুষ কতদিন এর থেকে দুরে থাকতে পারেন? তিনি বলেন, ‘লকডাউনে ঘরে বসে আগামিী দিনের পরিকল্পনা তৈরি করছি।’ তিনি জানান, লকডাউনের মধ্যেই তিনি বেশ কয়েকটি নাটক, বিজ্ঞাপন, টেলিফিল্ম এবং মিউজিক্যাল ফিল্মের কাজ হাতে পেয়েছেন। অনলাইনে টেলিফিল্ম ও নাটকের পান্ডুলিপিও বুঝিয়ে দিয়েছেন নির্মাতারা। তিনি বলেন, ‘পরিচালকরা এর মধ্যেই আমার শুটিংয়ের ডেটও চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি ডেট দিতে অনীহা প্রকাশ করেছি। ডেটতো দিবোই, এই মুহুর্তে নয়। দেশের পরিস্থিতি ভালো হলেই আমি ঈদের পরে নিয়মিত শুটিং শুরু করব।’ তিনি বলেন, ‘পরিচালক এম সাখাওয়াত হোসেন ভাইয়ার বেশ কয়েকটি নাটক ও টেলিফিল্মের কাজ আমার হাতে রয়েছে, যেগুলোর কাজ ঈদের পরে দেশের পরিস্থিতি ভালো হলেই শুরু হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমি নিজেকে সব সময়ই শুটিংয়ের জন্য প্রস্তুত রেখেছি। তাই হোম কোয়ারেন্টাইনে বাসায় বসেই আমি নিয়মিত আমার শুটিংয়ের পান্ডুলিপিগুলো দেখতেছি, পড়তেছি। আর, আমি মনে করি মানুষের মনের শক্তি মনের জোর টাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই করোনা ভাইরাস মহামারীর এই সময়ে মনে শক্তি রাখতে হবে। মনের শক্তিই বড় শক্তি। সুতরাং,সবার সচেতন এবং সতর্ক থাকতে হবে।’

বর্তমান পরিস্তিতিতে সংগঠনের নেতা ও কিছু নির্মাতা, শিল্পীর মধ্যে মত বিরোধ তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে তিনি বলেন, শুটিং শুরু ঠিক আছে। কিন্তু আমার, আপনার, আমাদের পুরো টিমের জীবনের নিরাপত্তা কে দেবে। আমাদের জীবনটা কিন্তু আমাদের একার নয়, আমাদের জীবনের সঙ্গে আমাদের সকলের পরিবার জড়িত। নিজেদের জীবন যার যার নিজেদেরই রক্ষা করতে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :