করোনার কারণে পারিবারিক বন্ধন অনেক বেড়েছে বলে মনে করেন নায়িকা শাকিবা

0
193

ইমরুল শাহেদ : তিনি বলেন, ‘আগে কাজের ব্যস্ততার কারণে বছরে একবারও হয়তো কারো সঙ্গে হতো না। এখন প্রায়ই কথা হয়। আমার ভাই থাকে দেশের বাইরে। তার সঙ্গে আমাদের কথা হতো প্রতি সপ্তান্তে। এখন সবাই কোয়ারেন্টাইনে থাকায় প্রতিদিনই কথা হয়। আমি নিয়মিতই আমার গ্রামের বাড়ির খবর রাখতে পারছি এখন।’ এর অর্থ এই নয় যে তিনি করোনা নিয়ে চিন্তাগ্রস্ত নন। কারণ সবার মতো তারও কর্মজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। দীর্ঘদিনের কোয়ারেন্টাইনে কিভাবে কাটছে তার সময়? তিনি জানান, বরাবরই তিনি ভোরবেলায় ঘুম থেকে উঠতেন। কিন্তু এখন রাত জাগা হয় বলে ভোর রাতে সেহরী খেয়ে ঘুমাতে যান। তিনি বলেন, ‘আমার ঘুমের সময়ই এখন বদলে গেছে।’ স্বভাবতই ঘুম থেকে উঠতে তার ১০টা থেকে ১১টা বেজে যায়। ঘুম থেকে উঠে বাড়ির ছাদে চলে যান তিনি। সেখানে তার একটি বাগান আছে। বাগানে কিছু সময় হাটেন এবং সেখানে একটি ঘরও করা আছে। সে ঘরে হালকা ব্যায়াম করেন। তারপর ঘরে ফিরে সাংসারিক কাজে তার মাকে সাহায্য করেন। দুপুরের পর শুরু হয় তার জনসংযোগের কাজ। কারো সঙ্গে ভিডিও কলে কথা হয়, কারো সঙ্গে কথা হয় ফোনে। একইসঙ্গে ফেসবুক ঘাটাঘাটিতো আছেই। নিউজের জন্য টেলিভিশন দেখা হয়। কিন্তু রমজান মাস বলে টিভিতে তিনি ছবি দেখেন না। ইফতারের আগে থেকে তাদের ঘরে টিভি সবার জন্য খোলা থাকে। তখন টিভিতে হামদ ও নাথসহ ইসলামিক অনুষ্ঠানগুলো চলতে থাকে। ইফতারির সময় তিনি তার মায়ের সঙ্গে কিছু ভিন্ন ধরনের খাবারও তৈরি করেন বলে জানালেন।

তিনি বলেন, ‘এছাড়া এই সময়টাতে আমি অনেকগুলো ওয়েব পোর্টালের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি, যা আগে কখনো দেখিনি। আমার এক সময় ডাইরি লেখার অভ্যাস ছিল। সেটা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন আবার লেখালেখিতে চর্চা হচ্ছে। আরেকটি বিষয় হলো ঈদের কাপড়। আগে দেশের বাইরে থেকে কাপড় আসত। এবার সেটা হয়নি। তাই ঈদের কাপড়ের জন্য কিছু সেলাই কাজও করেছি। এছাড়া আমি এক সময় ভালো ছবি আঁকতে পারতাম। সেটারও চর্চা করছি এখন।’

আপনার মতামত লিখুন :