‘ভারতের বিপক্ষে সবাই নিজ থেকেই আক্রমণাত্মক হয়ে যাই’

0
94

করোনাভাইরাসের কারণে সবকিছু থমকে যাওয়ার আগে চলতি বছরেই দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাফল্য অর্জন করেছে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল। যেকোন পর্যায়ে প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের বৈশ্বিক শিরোপা জিতেছে টাইগার যুবারা।

গত ফেব্রুয়ারিতে শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনাল ম্যাচে ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে আকবর আলীর দল। দলের জয় নিশ্চিতের রানটি করেন ১৭ বছর বয়সী বাঁহাতি স্পিনার রাকিবুল হাসান। সেই জয়ের মাসচারেক পর রাকিবুল জানিয়েছেন সেই ম্যাচের কিছু স্মৃতিকথা।

ভারতের বিপক্ষে সেই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন পেসাররা। ম্যাচের শুরু থেকেই তাদের আক্রমণাত্মক মনোভাব পুরো দলকেই চাঙা করেছিল। অতীতে তাদের বিপক্ষে হারগুলো মনে করেই সেদিন দলের সবাই এতো আক্রমণাত্মক হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন রাকিবুল।

সম্প্রতি এক ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতের বিপক্ষে অনেক ম্যাচ খেলেছি। ত্রিদেশীয় সিরিজ, এশিয়া কাপ সবখানেই। আমরা যখন ওদের বিপক্ষে খেলতে নামি, বাড়তি একটা জেদ চলে আসে। আমাদের পেসাররা আক্রমণাত্মক বল করেছে সেদিন। সাকিব বিশেষত অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ছিল। অভিষেক সুযোগ পেয়ে কাজে লাগিয়েছিল।’

ভারতের বিপক্ষে খেললে ক্রিকেটাররা নিজে থেকেই অন্যরকম এক তাড়না অনুভব করেন জানিয়ে রাকিবুল বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমরা ভারতের বিরুদ্ধে অন্যরকমভাবে খেলি। আমি জানি না কেন, আমরা তাদের বিপক্ষে খেললে বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে যাই। আমাদের আলাদাভাবে কাউকে উজ্জীবিত করতে হতো না। সবাই নিজে নিজেই আক্রমণাত্মক হয়ে যেত।’

এর আগে জাতীয় দল ও অনুর্ধ্ব-১৯ দল ভারতের বিপক্ষে হেরে গিয়েছিল এশিয়া কাপের ফাইনালে। মাত্র ১০৬ রানে ভারতীয়দের গুঁটিয়ে দিয়েও শেষপর্যন্ত ২০১৮ সালের এশিয়া কাপ জিততে পারেননি রাকিবুলরা। সেসব ম্যাচ বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রেরণা জুগিয়েছিল বলেও মনে করেন তিনি।

রাকিবুল বলেন, ‘আমাদের জাতীয় দল তাদের বিপক্ষে এশিয়া কাপ ফাইনাল (২০১৮) হেরেছিল। সে সময় ভাগ্য আমাদের সঙ্গে ছিল না। যখন আমরাও তাদের বিপক্ষে একই টুর্নামেন্টের ফাইনালে হারলাম। অনেক বন্ধুবান্ধব বলতে শুরু করল, জাতীয় দলের মতো তোমরাও তাদের হারাতে পারলে না। এসব শোনার পর আমরা যখন ভারতের বিপক্ষে খেলতে নামলাম, আমাদের মাথায় কথাগুলো কাজ করছিল। যদি আমরা তাদের হারাতে পারি, তাহলে সবাই একটু বেশি খুশি হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :