কোভিড-১৯ মহামারীতে কাজ করতে মানসিক শক্তি ও সাহস দরকার বলে মনে করেন শর্মী ইসলাম

0
195

ইমরুল শাহেদ : মডেল ও টিভি অভিনেত্রী হিসেবে সুপরিচিত শর্মী ইসলাম নড়াইলের নিজ বাসভবন থেকেই মাগুরা ও ফরিদপুরের লোকেশনে এসে রায়হান শাহরিয়ার পরিচালিত দুটি নাটকের কাজ শেষ করেছেন। নাটক দুটি হলো – হঠাৎ দেখা ও অনুশোচনা। দুটি নাটকই ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই নাটকেরই ফরিদপুরে কাজ করতে গিয়ে তিনি লকডাউনে পড়ে যান। তখন থেকেই নড়াইলে গ্রামের বাড়িতে আছেন। সরকারি ছুটি শেষ হওয়ার পর নাট্য সংগঠনগুলো সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করার অনুমতি দেওয়ার পরই নাট্যকর্মী এবং কুশলীরা স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলে কাজে ঝাপিয়ে পড়েন।

শর্মী ইসলাম বলেন, ‘থেমে গেলেন তো হেরে গেলেন। তাই, সব ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করেই শুটিং করতে হবে আমাদের। এটা অবশ্য আমার ব্যক্তিগত মতামত। মহামারী যতোই সময় নিক না কেন আমার কাজ থেমে নেই। সকল প্রকার স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কাজ শুরু করে দিয়েছি। আমাদের ইউনিটের সবাই খুব সচেতন তাই শুটিং করতে সমস্যা হয় নি।’ তিনি বলেন, ‘হাতে আমার আরো বেশ কয়েকটা কাজ রেডি হয়ে আছে যেগুলোর শুটিং শুরু হবে খুব তাড়াতাড়িই। এবার হবে ঢাকা কেন্দ্রিক কাজ।’ তিনি বলেন, ‘সবার মধ্যে কোভিড-১৯ মহামারী নিয়ে একটা আতংক কাজ করলেও আমরা কেউ থেমে নেই। আমি মনে করি, মনের শক্তি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মনের শক্তি এবং সাহস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দেয়। তাই, দেশের এই মহামারীতে সকল ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করেই মনের শক্তি এবং সাহস নিয়ে আমি শুটিংয়ের কাজ শুরু করে দিয়েছি।’ রোমান্টিক ও কমেডি ধাঁচের নাটক দুটি রচনা করেছেন পরিচালক নিজেই।

তিনি বলেন, ‘আমি আশাবাদী দুটি নাটকই দর্শকের ভালো লাগবে।’ শর্মী ইসলামকে নিয়ে উল্লেখ বিষয় হলো, তিনি শুটিংয়ের বিষয়টাকে কাজ বলেছেন। কিন্তু যখন কেরিয়ারের প্রসঙ্গ আসে তখন সেটা আর কাজের মধ্যে থাকেনা। এটা হয়ে যায় তার জীবন। অভিনয়টা তার চেতনায় অন্তর্লীন হয়ে আছে। তাই তিনি ছুটির সময়টায় ঘরে বসে থাকতে থাকতে বিদ্রোহী চেতনা নিয়ে মুখিয়ে ওঠেছেন – কখন তার কানে বেজে ওঠবে লাইট, ক্যামেরা, এ্যাকশন…….।

আপনার মতামত লিখুন :