করোনায় এনজিওর ২০৮ কোটি টাকার ত্রাণ সহায়তা

0
224

মহামারি করোনাভাইরাসের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন এনজিও প্রায় ২০৮ কোটি টাকার ত্রাণসহায়তা দিয়েছে। বাংলাদেশে কর্মরত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বা এনজিওগুলোর সমন্বয়কারী সংগঠন ‘এডাব’ সোমবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এডাব’র পরিচালক এ কে এম জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এডাবের সদস্য সংস্থাসমূহ ছাড়াও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মরত এনজিওসমূহ তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে কাজ করে চলেছে। করোনাভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতোমধ্যে এনজিওসমূহ সারাদেশে বিপুল সংখ্যক লিফলেট বিতরণ, ব্যনার-বিলবোর্ড স্থাপন, গ্রাম্য হাট ও জনবহুল স্থানে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা জীবানুনাশক স্প্রে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ১৭টি কমিউনিটি রেডিওর মাধ্যমে অব্যাহতভাবে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করছে।

এতে বলা হয়েছে, এডাব ও এর সদস্যরা করোনা মহামারিতে ২৩ মার্চ থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত মোট ২৫.৩১ কোটি টাকার জরুরি ত্রাণসহায়তা কাজে ব্যয় করেছে। যার মধ্যে রয়েছে ১৩.০৬ কোটি টাকা নগদ সহায়তা বাকিটা খাদ্য ও সুরক্ষাসামগ্রী সহায়তা।

‘অন্যদিকে বিডিসিএসও প্রসেসের হিসাব অনুযায়ী বিদেশি সহায়তাসহ ২৫ মে পর্যন্ত এনজিওদের ত্রাণসহায়তার পরিমাণ প্রায় ১৫৬ কোটি টাকা। ইতোপূর্বে ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনাকারী এনজিওসমূহ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ২৭ কোটি টাকা দিয়ে দেশের মানুষের প্রতি তাদের আত্মনিবেদনের প্রমাণ রেখেছে।’

এতে আরও বলা হয়েছে, বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, শুধু অর্থ বা ত্রাণ সহায়তা নয় আইসোলেশান সেন্টার তৈরি, চিকিৎসকদের জন্য ভৌত সহায়তা, যানবাহন সহায়তা ও বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ বিভিন্ন চিকিৎসার সামগ্রীও প্রদান করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ক্রমহ্রাসমান বৈদেশিক সাহায্য ও দীর্ঘদিন স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এনজিওরা নিজেরাই অর্থসংকটে, তারপরও মানবিক দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্বেচ্ছা প্রণোদনা ও দায়বদ্ধতা থেকেই তারা সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করছে যা টাকার অংকে মূল্যায়ন করা যায় না।

এনজিওরা সবসময়ই মাঠপর্যায়ে উন্নয়নকাজে সরকারি বেসরকারি সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। করোনার মতো মহামারিতেও প্রয়োজন সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠনের সুষ্ঠু সমন্বয় ও সম্মিলিত প্রয়াস, আর তাতেই হবে করোনামুক্তি।

আপনার মতামত লিখুন :