হতাহতদের দ্রুত উদ্ধার-ক্ষতিপূরণের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

0
128

রাজধানীর সদরঘাটের অদূরে শ্যামবাজারে বুড়িগঙ্গা নদীতে যাত্রীবাহী দুই লঞ্চ দুর্ঘটনায় সর্বশেষ দুপুর ১টা পর্যন্ত ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের দ্রুত উদ্ধার, চিকিৎসা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন যাবত ছোট ছোট ডিঙ্গি নৌকায় সরদঘাটের এপার থেকে ওপারে যাতায়াতে প্রায়ই ছোট ছোট দুর্ঘটনা ঘটে। এসব দুর্ঘটনায় অসংখ্য প্রাণহানি ও হতাহতের ঘটনা ঘটলেও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় এ ধরনের ভয়াবহ দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব নৌ দুর্ঘটনা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি হতাহতদের দ্রুত উদ্ধার, বিনামূল্যে সুচিকিৎসা নিশ্চিতকরণ ও ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। এছাড়া নিহতদের লাশ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের খরচে প্রত্যেক পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়া এবং হতাহতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানিয়েছেন মোজাম্মেল হক চৌধুরী।এর আগে সকাল ১০টায় এ লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড ও সেনাবাহিনী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-চাঁদপুর রুটের ময়ূর-২ নামের একটি লঞ্চের ধাক্কায় কমপক্ষে ৫০ যাত্রী নিয়ে ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ রুটের মর্নিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়।লঞ্চটি থেকে কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে পাড়ে উঠলেও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ ছিলেন। পরে নিখোঁজদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

স্থানীয়রা আরও জানান, মুন্সিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা দুইতলা মর্নিং বার্ড লঞ্চটি সদরঘাট কাঠপট্টি ঘাটে ভেড়ানোর আগ মুহূর্তে চাঁদপুরগামী ময়ূর-২ লঞ্চটি ধাক্কা দেয়। এতে সঙ্গে সঙ্গে তুলনামূলক ছোট মর্নিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়।এদিকে বুড়িগঙ্গায় অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যাওয়া লঞ্চ মর্নিং বার্ড উদ্ধারে নারায়ণগঞ্জ থেকে রওনা দিয়েছে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়।

আপনার মতামত লিখুন :