সাংবাদিক জুম্মন সোহেলকে মাদক বিক্রেতা কসাই রনির হুমকি! থানায় জিডি নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা

0
252

দৈনিক সোজা সাপটা পত্রিকার ফটো সাংবাদিক জুম্মন সোহেলকে গোগনগর ডিয়ারা এলাকার মাদক বিক্রেতা, পুলিশ সোর্স রনি ওরফে কসাই রনি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় জুম্মান হোসেন সোহেল এসপি বরাবর লিখিত অভিযোগ ও সদর মডেল থানায় জিডি দায়ের করেছে।জিডি নং-৮৮৩।

সিরাজুল হকের পুত্র সাংবাদিক মোঃ জুম্মন হোসেন সোহেল অভিযোগে উল্লেখ করেন কবির হোসেনের কুপুত্র রনি (২৪) ও সৎ পিতা কবির হোসেন (৪৮) দীর্ঘদিন যাবৎ হয়রানি করে আসছে। তিনি আরো বলেন এলাকায় মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করিয়া বেড়ায় পিতা পুত্র।কসাই রনি ও কবির হোসেনের অপকর্মে এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ। এই ব্যাপারে বিগত ১৯ সালের ২৪ এপ্রিল দৈনিক ইয়াদ প্রত্রিকায় রনির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশিত হয়। উক্ত সংবাদের বিষয়ে জুম্মান সোহেল কোন প্রকার অবগত না থাকলেও উল্লেখিতরা মাদক সন্ত্রাসীরা উক্ত সংবাদের জের ধরে জান মালের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করে।পরের দিন ২৫ এপ্রিল রনির বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেও কোন প্রতিকার পাই নায় সাংবাদিক জুম্মান সোহেল।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, বর্তমানে উল্লেখিত বিবাদীদ্বয় আমার উপর ক্ষিপ্ত হইয়া আরো বেপরোয়া ভাবে আমার ক্ষতিসাধনের পায়তাড়া করিতেছে মাদক সন্ত্রাসীরা। গত ২৯ জুন২০২০ তারিখ রাত্র অনুমান ১১টায় কাশিপুর হইতে আমার বোন শিরিন (৩৯) ও ভাগ্নি অহনা (১২) আমাদের ঠিকানার বাসায় যাওয়ার পথে ১নং বিবাদীর উল্লেখিত ঠিকানার বাসার সামনে পৌছাইলে উক্ত বিবাদী আমার বোন ও ভাগ্নির পথরোধ করিয়া অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করত: মারপিট করিতে উদ্যত হয় এবং সময় সুযোগ বুঝিয়া খুব শিঘ্রই আমাকে জীবনের তরে শেষ করিয়া দিবে বলে হুমকি প্রদান করে। আমার বোন ও ভাগ্নি আমাদের বাসায় আসিয়া কান্না জড়িত কণ্ঠে বিষয়টি আমাকে অবগত করে। উল্লেখিত বিবাদীদ্বয় অত্যান্ত খারাপ প্রকৃতির লোক। ইতিপূর্বে ১নং বিবাদী রনি এলাকার রাকসু নামের এক যুবকের গলা কাটিয়া হত্যার চেষ্টা করে এবং বর্তমানেও বিভিন্ন ধরনের অপকর্মে লিপ্ত রহিয়াছে। বিবাদীদেরকে আইনের আওতায় এনে ন্যায় বিচার না করিলে যে কোন সময় নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানী সহ বড় ধরনের অঘটন ঘটিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন জুম্মান সোহেল।

উল্লেখিত চিহ্নিত মাদক সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে থানা পুলিশ ও নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন জুম্মন হোসেন সোহেল।

আপনার মতামত লিখুন :