করোনার অভিশাপ থেকে মুক্তির উপায় কী?

0
51

প্রাণঘাতী বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের আক্রমণে পুরো বিশ্ব স্তব্দ। ক্ষমতাধর রাষ্ট্র থেকে শুরু করে বিশ্বের সেরা স্বাস্থাবিজ্ঞানীরাও হতাশ। করোনা থেকে মুক্তিতে কেউ নিশ্চিত করে কোনো আশার বাণী শোনাতে পারছে না। চীনের উহান থেকে শুরু হওয়া এ ভাইরাস বিশ্বের প্রায় সব দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে। বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। তাহলে করোনাভাইরাস নামক এ অভিশাপ থেকে মুক্তি উপায় কী?

৫৬ হাজার বর্গমাইলের প্রিয় বাংলাদেশেও গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। প্রথম দিকে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল না বললেই চলে। অথচ এখন প্রতিদিন আশংকাজনক হারে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। ইতিমধ্যে ১ লাখ ৪৯ হাজার ২৫৮ জনে দাঁড়িয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা আর ১ হাজার ৮৮৮ জন মৃত্যুবরণ করেছে।

করোনার ভয়াবহ অভিশাপে বিশ্বের ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা এ কথা বলতে বাধ্য হয়েছেন যে, আমাদের সব প্রচেষ্টাই ব্যর্থ, সৃষ্টিকর্তাই এ করোনা থেকে মানুষকে রক্ষা করতে পারেন। তাইতো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা থেকে মুক্ত থাকতে ধর্মীয় রীতি-নীতির দিকে ঝুঁকে পড়েছে। তাই তো তারা মসজিদে আজান, নারী-পুরুষের মুখোশ পরায় বাধ্যতামূলক আইন পাশ, নারীদের হিজাবকে করোনার জন্য নিরাপদ পোশাক হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। অথচ করোনা আসার আগেও প্রকাশ্যে আজান, হিজাব কিংবা মুখোর পরায় ছিল নিষেধাজ্ঞা।

পুরো বিশ্ববাসীর জন্য এটা মারাত্মক দুঃসংবাদ যে, প্রায় ৮ মাস ধরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর এখনও সুনির্দিষ্ট কার্যকরী কোনো প্রতিষেধক তৈরি করতে পারেনি কেউ। সর্ব সাধারণের পরীক্ষার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ কিটও পাওয়া যাচ্ছে না। সব মানুষই এ ভাইরাসকে জীবন বিনাসকারী ভাইরাস হিসেবে মেনে নিয়েছে।

মমিন মুসলমানের বিশ্বাস
মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময়ে এসে ঈমানদার মুসলমান এ সুনিশ্চিত বিশ্বাস পোষণ করছে যে, করোনাভাইরাস মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের কৃত অপরাধ তথা পাপাচারের শাস্তি।

মানুষের অপরাধ ও গোনাহের কারণেই দুনিয়ার জলভাগ, স্থলভাগ, আকাশ কিংবা ফল-ফসলসহ মানুষের জীবনে অনাকাঙ্ক্ষিত মহামারি ও বিপর্যয় নেমে আসে। আর তা মানুষের অন্য কিছু নয়, মানুষের পাপাচারের শাস্তি। করআনুল কারিমে আল্লাহ ঘোষণা করেন-
‘মানুষের কৃতকর্মের কারণেই স্থলে ও জলে বিপর্যয় দেখা দেয়। যাতে আল্লাহ তাদের কতিপায় কৃতকর্মের স্বাদ (শাস্তি) আস্বাদন করান। যাতে তারা অন্যায় থেকে ফিরে আসতে পারে।’ (সুরা রূম : আয়াত ৪১)

কুরআনুল কারিমের ঘোষণা ও হাদিসের ইঙ্গিতে এ বিষয়টি সুস্পষ্ট যে, মানুষের অবাধ্যতা ও পাপাচারের কারণেই অজানা-অচেনা-অনাকাঙ্ক্ষিত মহামারি প্রাদুর্ভাব ঘটে। হাদিসে পাকে এমনই একটি সতর্কবার্তা ঘোষণা করেছেন প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হাদিসে এসেছে-
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের দিকে এগিয়ে এসে বললেন- হে মুহাজিরগণ! তোমরা পাঁচটি বিষয়ে পরীক্ষার সম্মুখীন হবে। তবে আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, যেন তোমরা তার সম্মুখীন না হও। (আর তাহলো)-
– যখন কোনো জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে তখন মহামারি আকারে (নতুন-নতুন) প্লেগরোগের প্রাদুর্ভাব হয়, যা আগের লোকদের মধ্যে কখনও দেখা যায়নি।
– যখন কোনো জাতি ওজন ও পরিমাপে কারচুপি করে তখন তাদের ওপর নেমে আসে দুর্ভিক্ষ, কঠিন পিবদ-মুসিবত।
– আর যখন কোনো জাতি (সম্পদের নির্ধারিত) জাকাত আদায় করে না, তখন আসমান থেকে বৃষ্টিবর্ষণ বন্ধ করে দেয়া হয়। যদি জমিনে চতুষ্পদ জন্তু ও নির্বাক প্রাণী না থাকতো তবে আর কখনও বৃষ্টিপাত হতো না।
– যখন কোনো জাতি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের অঙ্গীকার ভঙ্গ করে, তখন আল্লাহ তাদের ওপর বিজাতীয় দুশমনকে ক্ষমতাসীন করে দেন। আর তারা (বিজাতীয় শাসকবর্গ মানুষের) সহায় সম্পদ কেড়ে নেয়।
– আর যখন তোমাদের শাসকবর্গ আল্লাহর কিতাব মোতাবেক মীমাংসা করে না এবং আল্লাহর নাজিলকৃত বিধান গ্রহণ করে না, তখন আল্লাহ তাদের পরস্পরের মধ্যে যুদ্ধ লাগিয়ে দেন।’ (ইবনে মাজাহ)

অনাকাঙ্ক্ষিত মহামারি ও বিপদ সম্পর্কে কুরআন-সুন্নায় এ রকম অনেক সতর্কবার্তা ও নির্দেশনা রয়েছে। অথচ মানুষ অন্যায় থেকে পিছু হটে না। জুলুম-অত্যাচার, অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা থেকে বিরত হয় না। তবে কী করে মানুষ প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও মহামারি থেকে মুক্তি পাবে।

করোনা থেকে মুক্তির উপায়
মহামারি করোনা থেকে মুক্তির প্রথম ও প্রধান উপায় হলো, যেসব কারণে মহামারি আসে বলে কুরআন ও হাদিসে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, তা ছেড়ে দেয়া। অর্থাৎ-
– অশ্লীতা ও বেহায়াপনা ছেড়ে দেয়া।
– জুলুম-অত্যাচার করা থেকে বিরত থাকা। তারপর
– কুরআন-সুন্নাহর নসিহত ও চিকিৎসকদের ঘোষিত নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলা।
– সর্বোপরি কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা মোতাবেক মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা। যেভাবে সাহায্য প্রার্থনা করতে নির্দেশ করেছেন আল্লাহ ও তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

কুরআন-সুন্নাহর এ প্রার্থনাগুলো তুলে ধরা হলো-
– رَبَّنَا اكْشِفْ عَنَّا الْعَذَابَ إِنَّا مُؤْمِنُونَ
উচ্চারণ : রাব্বানাকশিফ আন্নাল আজাবা ইন্না মুমিনুন।’
অর্থ : ‘হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের উপর থেকে আপনার শাস্তি প্রত্যাহার করুন। আমরা আপনার উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছি।’ (সুরা দুখান : আয়াত ১২)

বিশ্বনবির সেখানো প্রার্থনা
– اَللَّهُمَّ اِنِّىْ اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ وَ الْجُنُوْنِ وَ الْجُذَامِ وَمِنْ سَىِّءِ الْاَسْقَامِ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল বারাচি ওয়াল জুনুনি ওয়াল ঝুজামি ওয়া মিন সায়্যিয়িল আসক্বাম।’ (আবু দাউদ, তিরমিজি)
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনার কাছে আমি শ্বেত রোগ থেকে আশ্রয় চাই। মাতাল হয়ে যাওয়া থেকে আশ্রয় চাই। কুষ্ঠু রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে আশ্রয় চাই। আর দুরারোগ্য ব্যাধি (যেগুলোর নাম জানিনা) থেকে আপনার আশ্রয় চাই।

– اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الأَخْلاَقِ وَالأَعْمَالِ وَالأَهْوَاءِ وَ الْاَدْوَاءِ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন মুনকারাতিল আখলাক্বি ওয়াল আ’মালি ওয়াল আহওয়ায়ি, ওয়াল আদওয়ায়ি।’
অর্থ : হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার কাছে খারাপ (নষ্ট-বাজে) চরিত্র, অন্যায় কাজ ও কুপ্রবৃত্তির অনিষ্টতা এবং বাজে অসুস্থতা ও নতুন সৃষ্ট রোগ বালাই থেকে আশ্রয় চাই।’ (তিরমিজি)

হাদিসের নির্দেশনা
মহামারি করোনা থেকে বাঁচতে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক নির্দেশনাগুলো মেনে চলাও জরুরি। হাদিসে এসেছে-
– সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখা
মহামারি করোনার এ সময়ে সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় দূরুত্ব বজায় রাখা। আর যারা করোনায় আক্রান্ত দূরুত্ব বজায় রেখে তাদের আলাদা ব্যবস্থাপনায় রাখাও জরুরি। হাদিসে এসেছে-
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- ‘যারা সংক্রমণ রোগে আক্রান্ত তাদের উচিত যারা সুস্থ তাদের থেকে দূরত্বে অবস্থান করা।’ (বুখারি ও মুসলিম)

– ভ্র্রমণ বা যতায়াত নিষিদ্ধ
মহামারি করোনার এ সময়ে কোনো এলাকায় যাতায়াত না করাই উত্তম। রাষ্ট্রীয় দিকনির্দেশনায় বিভিন্ন জেলা শহরে চলছে লকডাউন। হাদিসে লকডাউন সম্পর্কিত দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে-
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা যখন কোনো এলাকায় মহামারি প্লেগের বিস্তারের কথা শুনো, তখন সেখানে প্রবেশ করো না। আর যদি কোনো এলাকায় এর প্রাদুর্ভাব নেমে আসে, আর তোমরা সেখানে থাকো, তাহলে সেখান থেকে বেরিয়েও যেও না।’ (বুখারি)

– ঘরে অবস্থান করা
করোনা মোকাবেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কোনোভাবেই ঘর থেকে বের হওয়া যাবে না। মহামারিতে ঘরে অবস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরতে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে-
হজরত আবু হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কুষ্ঠ (মহামারি) রোগী থেকে দূরে থাক, যেভাবে তুমি বাঘ থেকে দূরে থাক।’ (বুখারি)

– মহামারিতে ঘরে ইবাদত
দুর্যোগ কিংবা মহামারিতে মানুষের জীবনে ক্ষতি হবে এমন পরিস্থিতে ঘরে জামাআত, নামাজ ও ইবাদতের দিকনির্দেশনা দিয়েছে ইসলাম। বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস থেকেই তা প্রমাণিত। হাদিসে এসেছে-
হজরত নাফি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেন, প্রচণ্ড এক শীতের রাতে হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু যাজনান নামক স্থানে আজান দিলেন। অতপর তিনি ঘোষণা করলেন- صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ
‘সাল্লু ফি রিহালিকুম’ অর্থাৎ তোমরা আবাস স্থলেই নামাজ আদায় করে নাও।’
পরে তিনি আমাদের জানালেন যে, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘লাইহি ওয়া সাল্লাম সফরের অবস্থায় বৃষ্টি অথবা তীব্র শীতের রাতে মুয়াজ্জিনকে আজান দিতে বললেন এবং সাথে সাথে এ কথাও ঘোষণা করতে বললেন যে, তোমরা নিজ বাসস্থলে (ঘরে) নামাজ আদায় কর।’ (বুখারি, মুসলিম, মুসনাদে আহমদ)

– চিকিৎসা গ্রহণ ও সতর্কতা অবলম্বন
যে কোনো রোগ-ব্যধি কিংবা মহামারি থেকে নিরাপদ থাকতে সতর্কতা অবলম্বন এবং চিকিৎসাগ গ্রহণের উপদেশ দিয়েছেন বিশ্বনবি। কুরআন-সুন্নায় অসংখ্য চিকিৎসা, পথ্য ও পদ্ধতির বর্ণনা রয়েছে। চিকিৎসা গ্রহণ সম্পর্কে বিশ্বনবি ঘোষণা করেন-
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা এমন কোনো রোগ পাঠাননি, যার আরোগ্যের ব্যবস্থা তিনি দেননি।’ (বুখারি)

– ঘন ঘন হাত ধোয়া
মানুষের হাতের মাধ্যমে করোনাসহ যাবতীয় মহামারি ও রোগ-ব্যধি ছড়িয়ে পড়ে। সে কারণে সাবান-পানি দিয়ে ঘন ঘন হাত ধোয়া এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার করার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে কারণে খাওয়ার আগে উভয় হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিতেন। হাদিসে এসেছে-
হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোনো কিছু খাবার বা পান করার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি উভয় হাত ভালোভাবে ধুয়ে পরিচ্ছন্ন হয়ে খাবার ও পানীয় গ্রহণ করতেন।’ (নাসাঈ)

বর্তমান সময়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানও মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবে হাদিসের এ ৬টি দিকনির্দেশনা মেনে চলতে জোর দিয়ে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। যারা হাদিসের এ দিকনির্দেশনা যথাযথ মেনে চলবে তাদের তাকদিরে মৃত্যু না থাকলে এ কথা সুনিশ্চিত যে, কোনো ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হবে না। আর করোনায় আক্রান্ত হলেও মৃত্যুর মুখোমুখি হবে না।

মনে রাখতে হবে
মহামারি করোনাভাইরাস অবশ্যই অনাকাঙ্ক্ষিত ও অজানা রোগ-ব্যাধি। এ রোগেরও প্রতিষেধক ও সুস্থ থাকার যাবতীয় ব্যবস্থাপনা সময়ের ব্যবধানে মানুষ পাবে। তবে হাদিসের ঘোষণা অনুযায়ী এ মুহূর্তে এটি ঈমানদারের জন্য পরীক্ষা আর সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য অভিশাপ তথা তাদের পাপের শাস্তি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে মহামারি করোনার অভিশাপ থেকে মুক্ত করুন। অন্যায় ও পাপ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। হাদিসের নির্দেশনাগুলো মেনে চলার তাওফিক দান করুন। কুরআন-সুন্নায় বর্ণিত মহামারি থেকে আত্মরক্ষায় আল্লাহর কাছে ধরণা দেয়ার দোয়াগুলো বেশি বেশি পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

আপনার মতামত লিখুন :