আগস্টের মধ্যে প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ বিতরণের নির্দেশ

0
46

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবে অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবিলায় ঘোষিত বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণ বিতরণ দ্রুত সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।বিশেষ করে শিল্প ও সেবাখাতের ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের ২০ হাজার কোটি টাকা চলতি জুলাই ও আগামী আগস্টের মধ্যে বিতরণ সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।বৃহস্প‌তিবার (২ জুলাই) গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেয়া হয়।বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একটি সার্কুলার জারি করে রাতেই ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে জারি করা সার্কুলারে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প, সেবা ও কৃষিখাতসহ আয়-উৎসারী কর্মকাণ্ড পুনরায় সচল করার জন্য বিভিন্ন ঋণ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এসব প্যাকেজ যথাসময়ে বাস্তবায়িত না হলে প্যাকেজ প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে। এ অবস্থায় প্রণোদনা প্যাকেজের অধিকাংশই চলতি জুলাই মাসের মধ্যে এবং বাকি অংশ আগামী আগস্ট মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করার জন্য পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, প্রণোদনা প্যাকেজ দ্রুত ও যথাযথভাবে বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে গভর্নরের সভাপতিত্বে ১৭ জুন এবং ২ জুলাই ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সাথে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সেবা খাতের জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকা প্যাকেজের আওতায় ৫০০ কোটি ও তদূর্ধ্ব অংকের বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যাংক এবং সিএমএসএমই খাতের জন্য ঘোষিত ২০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজের আওতায় ৩০০ কোটি ও তদূর্ধ্ব অংকের বরাদ্দ পাওয়া ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীরা অংশ নেন। সভায় ব্যাংকের প্রতিনিধিরা জুলাই মাসের মধ্যে প্যাকেজের সিংহভাগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সব ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে অবহিত করে। প্যাকেজ বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়।

জানা গেছে, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ছোট ও বড় ব্যবসায়ীদের জন্য সরকার প্রায় এক লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ পাবে বড় শিল্পখাত। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাত পাবে ২০ হাজার কোটি টাকা। এসব ঋণের সুদ ৯ শতাংশ হিসাব করা হলেও ঋণগ্রহীতাদের দিতে হবে গড়ে অর্ধেক সুদ। বাকি অর্থেক সুদের অর্থ সরকার ভর্তুকি আকারে ব্যাংকগুলোকে দিয়ে দেবে।

আপনার মতামত লিখুন :