ঢাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের

0
35

ঢাকার নগরাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে কোভিড-১৯ এর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করতে সাত মিলিয়ন ডলারের খাদ্যসহায়তা কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার।

বুধবার এক অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর রিচার্ড রাগান এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার বলেন, কোভিড-১৯ এর বিস্তার বন্ধে সহায়তা করার অংশ হিসেবে বাড়ির বাইরে না যাওয়ার কারণে কোনো পরিবারের ক্ষুধার মুখে পড়া উচিত নয়। এই পাইলট কর্মসূচি ঢাকার এসব নিম্ন-আয়ের নগরাঞ্চলে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে সংকটকালে স্বাস্থ্যবান থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্য পেতে সহায়তা করবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সরকার যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) মাধ্যমে এ কর্মসূচির অর্থায়ন করবে এবং এটি বাস্তবায়ন করবে জাতিসংঘের খাদ্যসহায়তা সংক্রান্ত শাখা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এই গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যসহায়তা উদ্যোগ ব্র্যাককে সঙ্গে নিয়ে বাস্তবায়ন করছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি।

এই কর্মসূচি কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের চলমান প্রচেষ্টাগুলোর সঙ্গে যুক্ত হবে। এ খাদ্যসহায়তা কর্মসূচি কল্যাণপুর ও সাততলা বস্তি এলাকায় বসবাসরত নিম্ন-আয়ের এক লাখ লোককে সহায়তা দেবে। কোনো সদস্য কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে যেসব পরিবার কোয়ারেন্টাইনে আছে, সেসব পরিবারে খাদ্যের ঝুড়ি সরবরাহ করবে।

এছাড়া এলাকার বাসিন্দারা বিনামূল্যে অথবা স্বল্পমূল্যে বাংলাদেশি কৃষকদের কাছ থেকে শাকসবজি পেতে এবং স্থানীয় বিক্রেতাদের কাছ থেকে অন্যান্য পুষ্টিকর খাদ্য পেতে ভাউচার পাবেন। কর্মসূচি আরও সম্প্রসারিত হলে এটি বাজার ও স্থানীয় কৃষি উৎপাদনের মধ্যে সংযোগ পুনঃস্থাপনে সহায়তা করার মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকদের জন্যও কাজ করবে।

কোভিড-১৯ সংকটের সময় শহরাঞ্চলের দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য এই নতুন উদ্যোগ জরুরি স্বাস্থ্য, মানবিক সহায়তা, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগগুলোর মধ্যে সর্বসাম্প্রতিক।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মোকাবিলা প্রচেষ্টায় সহায়তা হিসেবে শুধু ইউএসএআইডির মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্র সরকার প্রায় ৩৭ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :