নারায়ণগঞ্জ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসকদের দ্বায়িত্ব অবহেলা চরমে

0
114
স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেক করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসকদের উদ্যোশে বলেছিলেন, যার যেখানে থাকার কথা তার সেখানে থাকতে হবে। যে চিকিৎসকের যেখানে দায়িত্ব তাকে সেখানেই দায়িত্ব পালণ করতে হবে। দায়িত্ব পালনে অবহেলা দেখা গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কিন্তু দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল গুলোতে চিকিৎসকদের দ্বায়িত্ব অবহেলা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।আর ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো যেমন রোগীদের সাথে বানিজ্য করছে তেমনি তাদের রয়েছে অব্যবস্থাপনা অথচ দেখার যেন কেউ নেই। এমনি ঘটনা নিয়মিত ঘটছে নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়াস্থ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।
এখানে চিকিৎসা সেবা নিতে আসে পুরো জেলার মানুষ। সঠিকে সময়ে রোগী চলে আসলে দেখা মিলে না ডাক্তারের। আবার ডাক্তারদের সহকারীদের দূর্ব্যবহার চরমে উঠেছে। একাধিকবার একই ধরনের অপ্রিতীকর ঘটনা ঘটার পরও কতৃপক্ষ ভাবলেশহীন।
এছাড়াও ডাক্তারদের ব্যপারেও ভূক্তভোগিরা বলেন, তাদের দেয়া টেস্ট এখান থেকে না করলে বাইরে থেকে করালে আবার কোন না কোন কারণ দেখিয়ে এখান থেকে করার পরামর্শ দেন। তাছাড়াও ভুক্তভোগীদের অনেক অভিযোগ রয়েছে পপুলারের বিরুদ্ধে।
 ৯ জুলাই আইন কলেজে পড়ুয়া বিথী রহমান নামে এক নারী শিক্ষার্থী তার অসুস্থ বাবাকে নিয়ে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে গেলে সঠিক সময়ে চিকিৎসককে পাওয়া যায়নি। শুধু তাই নয়, রোগীদের সাথে পপুলার সংশ্লিষ্টদের অসদাচরণ ও অব্যবস্থাপনায় কাঙ্খিত চিকিৎসা সেবা না পেয়ে তার ফেসবুক ওয়ালে ক্ষুব্ধ হয়ে একটি স্ট্যাটাস দেয়, যে স্ট্যাটাসটি বিভিন্ন মহলে তোলপাড় সৃষ্টি করে। ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
Going to the hospital due to father’s illness but in there situation was very bad😠😭
বলার কোন ভাষা নাই এমন এক দেশে আছি চিকিৎসা ব্যবস্থা খারাপের চরম শীর্ষে অবস্থান করছে করোনাকালে সেবা ভালোভাবে দিতে না পারলে আসেন কেন করোনা তো সারাজীবন থাকবেনা তখন আবার 700-800 টাকা ভিজিট নিবেন আবার প্রাইভেসি দিবেননা পাচ ছয়জন করে রোগী ঠুকাবেন বাহ বাহ হুইল চেয়ারের রোগী তাদের প্রতি কোন দায়িত্ববোধ নেই জনগনের টাকায় আপনারা চলেন এ কথা ভুলে যান অনেকে বলে দলীয় লোকজন চিকিৎসা ব্যবস্থা সুবিধা ভালো পায় আরে ভাই চৌদ্দ খানদান আওয়ামীলীগ করে তো কোথাও তো সার্ভিস ভালো পেলাম না অনেক আক্ষেপের সাথে জানাচ্ছি সব ডাক্তার খারাপ তা বলছিনা কিন্তু বেশিরভাগই অমানবিক কমার্শিয়াল ডাক্তার খাওয়া দাওয়া করে নামাজ পড়ে খেতে লাগে বড়জোর ১৫ মিনিট নামাজও ১৫মিনিট সেখানে আমাদের কথা বাদ অনেক রোগী এসেছে অনেক দূর থেকে কখন আসবে সে সময় তারাই নির্ধারণ করে দেয় সে সময় মতো যেয়ে যদি ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে তখন ইমার্জেন্সি পেসেন্টদের কি হাল হবে আমার এফ বি তে অনেক জার্নালিস্টরাই আছেন আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি পপুলার এর সম্পর্কে কিছু লেখেন ওদের ম্যানেজমেন্ট খুবই খারাপ.
ভুক্তভোগী সহ সাধারণ মানুষের দাবী বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগন আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করলে সাধারণ মানুষ সঠিক সেবা পাবেন।
আপনার মতামত লিখুন :