৬৪ জেলার সঙ্গে অনলাইন কর্মশালা করবে ট্যুরিজম বোর্ড

0
56

স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় পর্যটনকে সম্পৃক্ত করতে এবং বাংলাদেশের পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে অনলাইন কর্মশালার আয়োজন করবে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। এ কার্যক্রমের আওতায় দেশের প্রতিটি জেলার সঙ্গে পর্যায়ক্রমে জুম অ্যাপের মাধ্যমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে।বৃহস্পতিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

কর্মশালায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পর্যটনবিষয়ক কমিটির সদস্য, প্রেসক্লাব প্রতিনিধি, উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌরসভা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), বন বিভাগের কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষাবিদ, শিক্ষক প্রতিনিধি, স্থানীয় ট্যুর অপারেটর, বাসমালিক সমিতির প্রতিনিধি, হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট মালিক সমিতির প্রতিনিধি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের প্রতিনিধি, ট্রাভেল এজেন্ট প্রতিনিধি, চেম্বারস অব কমার্সের প্রতিনিধি, শিল্পকলা একাডেমির প্রতিনিধি, অন্যান্য পর্যটন সংশ্লিষ্টরা অংশগ্রহণ করবেন।

এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় দেশের পর্যটনের উন্নয়নের লক্ষ্যে যে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে তাতে সকল পর্যায়ের অংশীদারের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের কার্যক্রম প্রান্তিক পর্যায়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে পর্যটনশিল্প পুনরুদ্ধারে আমাদের অভ্যন্তরীণ পর্যটক একটি বড় শক্তি হিসেবে পরিগণিত হবে। এই কর্মশালার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের পর্যটন অংশীদারদের সঙ্গে পর্যটন উন্নয়নে করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় ও কর্মপরিকল্পনা শেয়ার করার সুযোগ তৈরি হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এ কর্মশালার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশীদারিত্ব বৃদ্ধিকরণ। এছাড়াও এই আয়োজনের অন্য লক্ষ্যগুলো হলো- বাংলাদেশের পর্যটক আকর্ষণীয় স্থানের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, নতুন পর্যটন আকর্ষণীয় স্থান চিহ্নিতকরণ, সংরক্ষণ ও উন্নয়ন; পর্যটনখাতে স্থানীয় পর্যায়ের বেসরকারি বিনিয়োগ উদ্বুদ্ধকরণ; স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে পর্যটনকে অন্তর্ভুক্তিকরণ; কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে পর্যটনশিল্প পুনঃউদ্ধারের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিতকরণ; হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, সাফারি পার্ক, আ্যামিউজমেন্ট পার্ক, পর্যটনকেন্দ্র পরিচালনার জন্য অনুসরণীয় স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোসেডিউর (এসওপি) বিষয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও পর্যটনকর্মীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি।

আপনার মতামত লিখুন :