সেই সান্ত্বনাকে ১০ লাখ টাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

0
56

লালমনিরহাটের নারী ক্রীড়াবিদ সান্ত্বনা রানী রায়ের সংগ্রামী জীবনের কাহিনী গণমাধ্যমে জেনেছিলেন অনেকে। আদিতমারী উপজেলার হরিদাস গ্রামের অসহায় এই সংগ্রামী নারীকে নিয়ে মিডিয়ায় প্রকাশিত খবর এড়ায়নি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নজরও। তারপর বঙ্গবন্ধুকন্যা ওই তায়কোয়ানদো খেলোয়াড়কে সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সান্ত্বনাকে দিয়েছেন ১০ লাখ টাকা।

সান্ত্বনা রানী রায়ের সংগ্রামী জীবন নিয়ে গণমাধ্যমে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, ঝিয়ের কাজ, লাঙ্গল চাষ করেও সফল ক্রীড়াবিদ সান্ত্বনা রায়, শিরোনামে। যা সর্বমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলে দেয়। শেষ পর্যন্ত সান্ত্বনার সেই সংগ্রামী জীবনের গল্প ক্রীড়া মন্ত্রণালয় হয়ে পৌঁছে যায় প্রধানমন্ত্রীর কানেও।

বৃহস্পতিবার বিকেলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি তার কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন সান্ত্বনা রানীর হাতে। এ সময় যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. আখতার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

চেক প্রদান করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সৌভাগ্য যে এমন একজন ক্রীড়াবান্ধব প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি। তিনি সবসময় আমাদের অসহায় ক্রীড়াবিদদের সহযোগিতা করে থাকেন। ক্রীড়ার উন্নয়নে আমরা যখনই যা চেয়েছি, প্রধানমন্ত্রী তা আমাদের দিয়েছেন। কিছুদিন আগে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ খেলোয়াড়দের সহায়তা করতে তিন কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। আমরা অচিরেই এ অর্থ দেশের তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকদের হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছি।’

প্রধানমন্ত্রীর উপহার ১০ লাখ টাকার চেক পাওয়ার পর তায়কোয়ানদো খেলোয়াড় সান্ত্বনা রানী রায় প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি খুবই আনন্দিত যে, প্রধানমন্ত্রী আমার বিপদের সময়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। গত মার্চ মাসে আমার পারিবারিক সমস্যার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমে জানতে পারেন। তিনি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী স্যারকে আমার বিষয়ে খোঁজ খবর নিতে বলেন। প্রতিমন্ত্রী স্যার আমাকে তার দপ্তরে ডেকে নেন। পরবর্তীতে তিনি আমার অবস্থার বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

আপনার মতামত লিখুন :