লিওঁকে হারিয়ে ট্রেবল জিতলো নেইমারের পিএসজি

0
49

কেইলর নাভাসই প্রথমে জয়ের ভিতটা গড়ে দিলেন। অলিম্পিক লিওঁর বারট্রান্ড ট্রাওরের শট ঠেকিয়ে দিয়ে। এপর পাবলো সারাবিয়ার শট জালে জড়ানোই ছিল শুধু বাকি। সারাবিয়ার নিখুঁত শট ঠেকানোর সাধ্য ছিল না লিওঁর গোলরক্ষক অ্যান্থোনি লোপেজের। সুতরাং, লিওঁর জালে বল জড়াতেই শিরোপা উৎসবে মেতে ওঠে নেইমার এবং তার সতীর্থরা।

ফ্রান্সের ঘরোয়া ফুটবলে ট্রেবলের সামনে দাঁড়িয়েছিলো নেইমার-এমবাপেদের দল পিএসজি। ফ্রেঞ্চ লিগ কাপের ফাইনালে লিওঁকে হারাতে পারলেই সেই স্বপ্ন পূরণ হয়ে যাবে তাদের।কিন্তু প্যারিসের স্টেডে ডি ফ্রান্সে জয়টা এত সহজ ছিল না পিএসজির জন্য। পুরো ম্যাচ খেলে কোনো ফুটবলারই প্রতিপক্ষের জাল খুঁজে পাননি। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এখানেও ৩০ মিনিটের খেলায় কেউ কাউকে হারাতে পারেনি।

ফলে ভাগ্য নির্ধারণী লটারির মতই টাইব্রেকারে যেতে হয় পিএসজি এবং লিওঁকে। এখানেও নাটকীয়তা। পেনাল্টির ৫টি শ্যুট আউটের সবগুলোতেই গোল দুই পক্ষের। এরপরই যেতে হলো সাডেন ডেথে।

PSG-1.jpg

এবার বাজিমাত করলো পিএসজির গোলরক্ষক কেইলর নাভাস। বাট্রান্ড ট্রাওরের শট ঠেকিয়ে দিলেন তিনি। ফলে শিরোপা জয়ের রাস্তা খুলে যায় নেইমারদের সামনে। পাবলো সারাবিয়ার পা থেকেই শেষ পর্যন্ত এলো জয়সূচক গোলটি। দ্বিতীয়ার্ধে সারাবিয়াকে বদলি হিসেবে মাঠে নামানো হয়।

শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে ৬-৫ গোলে লিওঁকে হারিয়ে ফ্রেঞ্চ কাপের শিরোপা জিতলো পিএসজি। এর আগে ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ান এবং ফ্রেঞ্চ কাপ টুর্নামেন্টের শিরোপা জেতে টমাচ টুখেলের শিষ্যরা। এবার জিতলো লিগ কাপের শিরোপা। মাত্র এক সপ্তাহ আগেই ফ্রেঞ্চ কাপ ফাইনালে সেইন্ট এটিয়েনেকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল পিএসজি। এক সপ্তাহের ব্যবধানে মৌসুমের তৃতীয় শিরোপা ঘরে তুললো তারা।

টাইব্রেকারের আগে পুরো ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করেই খেলেছিল পিএসজি। কিন্তু কাঙ্খিত গোলের দেখাই মেলেনি তাদের। পিএসজি মাঠে সবচেয়ে বেশি মিস করেছে কাইলিয়ান এমবাপেকে। এনজুরির শিকার হয়ে খেলতে পারছেন না তিনি। তাকে দেখা গেলে মুখে মাস্ক লাগিয়ে গ্যালারিতে বসে থাকতে।

আপনার মতামত লিখুন :