পিএসজি-বায়ার্ন ফাইনাল, লিওঁ কি ভয় কাটিয়ে দিল নেইমারদের?

0
75

অল ফ্রেঞ্চ ফাইনালটা আর হলো না। যে বায়ার্ন মিউনিখ বার্সেলোনার মতো দলকে ৮ গোলের লজ্জায় ডুবিয়েছে, তাদের সঙ্গে বেশ লড়েছিল লিঁও। কিন্তু একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া করে স্বপ্ন ভাঙলো ফরাসি ক্লাবটির। নিজেদের লিগের দল পিএসজির পাশে ফাইনালের মঞ্চে ওঠা আর হলো না।

তবে বায়ার্নের কাছে ৩-০ গোলের হারটা হয়তো শুধু স্কোরকার্ডই দেখাচ্ছে। ম্যাচে লিওঁ কেমন খেলেছে, সেটি কিন্তু বোঝাচ্ছে না। জার্মান ক্লাবের একের পর এক আক্রমণ দারুণভাবে সামলেছে ফরাসিরা। নিজেরাও বলার মতো অনেক সুযোগ তৈরি করেছে, কিন্তু আক্রমণভাগের ব্যর্থতায় গোলের দেখা পায়নি।

এই ম্যাচে বায়ার্নের রক্ষণ দুর্বলতা স্পষ্ট দেখা গেছে। বার্সেলোনার বিপক্ষে হাইলাইন রক্ষণ খেলিয়েও সমস্যা হয়নি তাদের। বার্সা গোলের পর গোল হজম করে, বায়ার্নের রক্ষণের পরীক্ষা নেয়ার সময়ই পায়নি।

তবে লিওঁ এই ম্যাচে ঠিকই অনেক জায়গা পেয়েছে। বেশ কয়েকবার বায়ার্নকে বাঁচিয়েছেন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার। মেম্ফিস ডিপাই ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই বায়ার্নের রক্ষণ খালি পেয়ে যান, কিন্তু গোল করতে পারেননি। ১৭তম মিনিটে তো টোকো একাম্বির এক শট পোস্টেই লেগে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধেও অনেক সুযোগ তৈরি করেছিল লিওঁ। ৫৮ মিনিটে নয়্যারকে একা পেয়েও সোজা মেরে দেন একাম্বি। এরপর আরও কয়েকবার বায়ার্নের রক্ষণের দুর্বলতা দেখা গেছে। কিন্তু লিওঁর আক্রমণভাগের ব্যর্থতা সেটিকে ঢেকে দিয়েছে সহজেই।

বার্সেলোনাকে ৮-২ গোলে হারিয়ে প্রতিপক্ষের মনে যে ভয় ছড়িয়ে দিয়েছিল বায়ার্ন, এই ম্যাচের পর সেই ভয় কেটে যেতেই পারে। ফাইনালের আগে লিওঁকে দেখে উজ্জীবিত হতে পারেন নেইমার-কিলিয়ান এমবাপেরা।

১১তম বারের মতো ফাইনালে ওঠা বায়ার্নকে হারাতে পারলেই যে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতবে পিএসজি। এমন এক ম্যাচে বাড়তি উদ্যম তো এমনিই থাকবে, ফাইনালেও বায়ার্ন অগোছালো ফুটবল খেললে সুযোগটা নিশ্চয়ই হাতছাড়া করবে না ফরাসিরা!

আপনার মতামত লিখুন :