অনুদানের ছবি নিয়ে বচসা

0
46
ইমরুল শাহেদ : পুঁজি সংকট এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক কারণে স্থবির হয়ে পড়া চলচ্চিত্রশিল্পকে সচল করার জন্য সরকার এ বছর সর্বাধিক ১৬টি ছবিকে অনুদান দিয়েছে। সরকারের সেই সদিচ্ছার অপব্যবহার শুরু করেছেন কয়েকজন নির্মাতা। ইতোমধ্যে আনিসুল হকের উপন্যাস অবলম্বনে রচিত চিত্রনাট্যের ছবি হৃদিতা নিয়ে টানাহ্যাচড়া শুরু হয়েছে। এই ছবিটি নিয়ে প্রথমে বচসা শুরু হয় চিত্রনাট্যকার এনামুল হকের সঙ্গে। পরে পরিচালক সমিতির মধ্যস্থতায় বিষয়টি নিষ্পত্তি হলেও আবার দেখা দিয়েছে নতুন সংকট। হৃদিতা নিয়ে এবার অভিযোগ করেছেন যাদুকাঠি মিডিয়ার কর্ণধার মো. মিজানুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, ইস্পাহানি আরিফ জাহানকে তিনি আনিসুল হকের ‘হৃদিতা’ অবলম্বনে ‘ড্রিমগার্ল’ ছবিটি নির্মাণের জন্য চুক্তিবদ্ধ করিয়েছিলেন। সে অনুযায়ী এফডিসিতে অধরা খান ও রোশানকে নিয়ে মহরত অনুষ্ঠান করেছিলেন। এখন ছবিটি তারা নিজেরাই প্রযোজক হিসেবে অনুদান নিয়েছেন তার অনুমতি ছাড়া। তিনি দাবি করেন, ‘এতে আমার প্রচুর পরিমাণে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। দুই পরিচালকের পেছনে টাকা গেছে। নায়ক নায়িকার সাইনিং মানি দিয়েছি। শুটিং প্রস্তুতি নেয়ার জন্যও আমার অনেক অর্থ ব্যয় হয়েছে। সুতরাং অন্যায়ভাবে জালিয়াতি করে একটি গল্প প্রযোজকের নাম বদলে অনুদানের জন্য জমা দেয়া আইনের পরিপন্থী। বিষয়টি আমি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে লিখিত আকারে জানাব। এ নিয়ে আমি আইনি ব্যবস্থাও নেব।’ তিনি আরও বলেন, ‘হৃদিতা নিয়ে যেহেতু আমি লেখক থেকে ছবি বানানোর অনুমতি নিয়েছি তাই আমিই এটি নির্মাণ করব। শিগগিরই এ নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছি।’ আনিসুল হক প্রযোজক মো. মিজানুর রহমানকে অনুমতি দেওয়ার কথাই বলেছেন। অনুদানের আশীর্বাদ ছবিটি নিয়েও অভিনেত্রী-প্রযোজকের মধ্যে বচসা হয়ে গেল। প্রথমে ছবিটিতে অপু বিশ্বাসকে নেওয়া হলেও এখন নেওয়া হয়েছে মাহিয়া মাহীকে। এই ছবিটি পরিচালনা করছেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক। একই কথা অনুদানের দায়মুক্তি ছবির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। এই ছবিটির পরিচালক কমল সরকার।

 

আপনার মতামত লিখুন :