ডিএনসির ৪ মাসের অভিযানে আড়াই লাখ ইয়াবাসহ মাদক উদ্ধার: ২৪৩৭ মামলায় ২৬০০ গ্রেফতার

0
45

‘চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’ স্লোগান নিয়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা (জিরো টলারেন্স) ঘোষণার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের তত্ত্বাবধানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান শুরু করে।

ডিএনসি সূত্র জানায়, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ১১ হাজার ৬৩৭টি অভিযান চালানো হয়েছে। এ সময় ২ হাজার ৪৩৭টি মামলা করা হয়েছে এবং ২ হাজার ৬০০ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানকালে ৬০টি মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন, ৩৫টি বিভিন্ন ব্রান্ডের মোবাইল ফোনসেট, সাড়ে ৩ লাখ ভারতীয় রুপি ও ১ লাখ ৬৭ হাজার ৮৯০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

এসব অভিযানে ৯৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা সমমূল্যের ৪৭৪ কেজি গাঁজা, ১০ লাখ টাকা সমমূল্যের ৭ হাজার ৪৬ বোতল ফেন্সিডিল, ও ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ লিটার তরল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার তালিকায় আরও রয়েছে ১৪২টি গাঁজা গাছ, ৬১৫ বোতল বিদেশি মদের বোতল, ১ হাজার লিটার বিদেশি মদ, ১ হাজার ৬ ক্যান বিয়ার, ১১৯ বোতল এসকফ (কোডিন মিশ্রিত) সিরাপ, ১ হাজার ৮৪০ পিস এ্যাম্পুল ইনজেকটিং ড্রাগ, ২ হাজার ১৮১ লিটার রেক্টিফাইড স্পিরিট, ১৫৫ লিটার ডিনেচার্ড স্পিরিট, ৬৫৮ পিস ঘুমের ট্যাবলেট, ৩১ লিটার দেশি মদ, ১ হাজার ৯৮৬ লিটার চোলাই মদ, ১৯ হাজার ৭০৫ লিটার জাওয়া, ১৩০ লিটার তাড়ি ও ৬০০ লিটার মিথানল।

১২ কোটি ৬৩ লাথ ৬৩ হাজার টাকা সমমূল্যের ২ লাখ ৫২ হাজার ৭২৬ পিস ইয়াবার পাশাপাশি ২ কোটি ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা সমমূল্যের ২ কেজি ১৮৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

ডিএনসির সহকারী পরিচালক (উত্তর) মেহেদী হাসান বলেন, মহামারীতে সাধারণ ছুটির কারণে মধ্যে অধিদপ্তরের অভিযান শিথিল ছিলো। তবে যখনই মাদক বহন বা পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে, তখনই অভিযান চালানো হয়েছে।

ডিএনসির উপ-পরিচালক (দক্ষিণ) মো. মাঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, সাধারণ ছুটি শেষ হওয়ার পর আবারও অভিযান জোরদার করা হয়।

নোয়াখালী জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার মোদক বলেন, ‘আমরা চাইব, যাঁরা মাদক সেবন করেন, তাঁরা আর মাদক নেবেন না। যাঁরা ব্যবসা করেন তাঁরা মাদক বিক্রি বন্ধ করবেন।

আপনার মতামত লিখুন :