প্রেমের বিয়ে অতঃপর যৌতুক দাবিতে নির্যাতন: মিরপুর মানবাধিকার কমিশনে সালিশী বৈঠক

0
86
মাদারীপুর জেলার রমজানপুর গ্রামের রিপা ও রুবেল পারস্পরিক প্রতিবেশী। পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেম অতঃপর উভয়ই বিয়ে করে। বিয়ের পর ঢাকায় বসবাস করে সংসার করলেও বিয়ের সম্পর্ক গোপন করে রাখে বিগত দুই বছর। এরমধ্যে হঠাৎ করে স্বামী রুবেল স্ত্রীর রিপার কাছে ব্যবসা করার কথা বলে নগদ পঁচিশ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করে বসে অথচ রিপার দরিদ্র পরিবারে এতটাকা দেওয়ার সামর্থ্য নেই। পারিবারিক কলহের জেরে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে স্বামী রুবেল পবিত্র ঈদের পর থেকে সকল ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। শুধু তাই নয়, টাকা না দিতে পারলে স্ত্রীর মর্যাদা দিবে না বলে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেয়। নিরুপায় স্ত্রী প্রাণ ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন কিন্তু এ অবস্থায় কি করবেন তা ভেবে পাচ্ছে না।
পরবর্তীতে অসহায় রিপা বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন এর কাছে একটি অভিযোগ দেয়। অভিযোগের ভিত্তিতে আজ ২৬ আগষ্ট মিরপুরের কমিশন কার্যালয়ে বিবাদী স্বামী রুবেল এর পক্ষের অভিভাবকসহ সকলে উপস্থিত হলে একটি সামাজিক সালিশ দরবার অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বৃহত্তর মিরপুর মানবাধিকার কমিশনের উপদেষ্টা এডভোকেট আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম। সহ সভাপতি মোনতাহার আক্তার, সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মো: মোতান্নবী বিল্লাহ খান, তথ্য সম্পাদক ও নারী উদ্যোক্তা নাজমিন সুলতানা তুলি, সহ তথ্য সম্পাদক নূরজাহান ইসলাম লাবণী প্রমুখ।
উক্ত সালিশ দরবারটি গোলাম কিবরিয়া মোল্লা ‘র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তী আগামী ১২ সেপ্টেম্বর সালিশ বৈঠকে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে বলে মানবাধিকার কমিশনের নেতৃবৃন্দ জানান।
আপনার মতামত লিখুন :