রেমিটেন্স বীর রায়হান কবীরকে না’গঞ্জ জেলা প্রবাসী ও প্রবাস ফেরত কল্যাণ পরিষদের সংবর্ধণা

0
34
মালয়েশিয়া থেকে বীরের বেশে ফিরে আসা রেমিটেন্স যোদ্ধা রায়হান কবিরকে সংবর্ধণা দিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রবাসী ও প্রবাস ফেরত কল্যাণ পরিষদ। শনিবার সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়াস্থ প্রেসক্লাব ভবনের ৩য় তলায় অবস্থিত সিনামুন চাইনীজ রেস্টুরেন্টের সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধাণ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সবার কন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ফয়েজ উদ্দিন আহমদ লাভলু।
সংগঠনের বন্দর থানা শাখা’র সভাপতি কাজী ছাইদুর রহমান শাহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন সংগঠনের উপদেষ্টা সৈয়দ দীল মোহাম্মদ দীলু,দৈনিক বিজয় পত্রিকার সম্পাদক সাব্বির আহমেদ সেন্টু ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রবাস ফেরত কল্যাণ পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রতন সরকার সাদ।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রবাস ফেরত কল্যাণ পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু রায়হানের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনাড়ম্বরপূর্ণ এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রবাস ফেরত কল্যাণ পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি’র অর্থ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বাপ্পী,ফতুল্লা শাখা’র সভাপতি রাজিব হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিল নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা’র সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান খোকনসহ রায়হান কবিরের বন্ধু মহল।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রায়হান কবীর রেমিটেন্স যোদ্ধাদের প্রতিকৃতি। মালয়েশিয়ার মাটিতে সে বাঙ্গালী শ্রমিকের পক্ষে যে বীরত্ব দেখিয়েছে তার ইতিহাসে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আমরা তাকে স্যালূট জানাই। সংবর্ধিত রেমিটেন্স বীর রায়হান কবীর বলেন,নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রবাসী ও প্রবাস ফেরত কল্যাণ পরিষদ আমাকে যে সংবর্ধণা দিয়েছে তা কখনো ভুলবোনা। তারা আমাকে চির কৃতার্থ করেছে। আমার প্রতিবাদকে তারা স্বার্থক করেছে। গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা সম্পর্কে বলতে গিয়ে রায়হান কবীর বলেন,সেদিন আমার প্রতিবাদের একটাই কারণ,তারা আমাদের প্রবাসী বাংলাদেশীদেরকে অপমান করেছে। তারা বাঙ্গালীদের উপর নির্মম অবিচার চালিয়েছে। আমার রেমিটেন্স যোদ্ধা ভাইদেরকে শিকল দিয়ে বেঁধে গোটা বাংলাদেশের সম্মান হানি করেছে। তারা যখন আমা বাঙ্গালী ভাইদের হাতে শিকল পড়িয়েছে তখন আমার কাছে মনে হয়েছে তারা আমার লাল সবুজ পতাকায় শিকল পড়িয়েছে তখন আমার রাজনীতির আদর্শ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুহিবুর রহমানের সেই কথা মনে করিয়ে দিয়েছে আমরা বাঙ্গালী আমাদেরকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবেনা। তাই আমি প্রতিবাদ করেছি। আমার দেশের মানুষকে কেউ অন্যায়ভাবে অপমান করবে নির্যাতন করবে এ দেহে বিন্দু পরিমাণ রক্ত থাকতেও তা বরদাশত করবোনা।
পরিশেষে শহরতলীর পশ্চিম তল্লায় মসজিদের এসি বিস্ফোরণে নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
আপনার মতামত লিখুন :