ধর্ষণের সাথে জড়িতদের প্রকাশ্যে শাস্তি দিতে হবে: ইসলামী ছাত্র মজলিস

0
49
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক মোঃ আবদুল জলিল বলেছেন, সারাদেশে ধর্ষণ, হত্যা, নির্যাতন চরম আকার ধারণ করেছে। ধর্ষণের সাথে জড়িতদের প্রকাশ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। সরকারী দলের ছত্রছায়ায় ছাত্রলীগ, যুবলীগের নামধারী সন্ত্রাসীরা সারাদেশে ধর্ষণের রাজত্ব কায়েম করেছে। নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের কলঙ্ক মোচনের জন্য ধর্ষণকারী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হবে।
নোয়াখালীর এখলাসপুরসহ সারদেশে ধর্ষণ-নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগরী শাখা আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আজ ৫ অক্টোবর বিকাল ৫টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ইসলামী ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সভাপতি কে এম ইমরান হুসাইনের সভাপতিত্বে ও ঢাকা মহানগরী উত্তর সভাপতি ইসমাইল খন্দকারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা ও প্রচার সম্পাদক বিলাল আহমদ চৌধুরী।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি আহসান আহমদ খান ও উত্তরের সেক্রেটারি মুহাম্মদ আবু সালেহ, মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম প্রমুখ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী বলেন, প্রধানমন্ত্রী একজন নারী হয়েও নারীদের উজ্জত রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিচারহীনতার কারণে দেশে ধর্ষণ- নির্যাতন বেড়েই চলেছে। সরকারী দলীয় বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা জড়িত থাকায় ধর্ষণ- নির্যাতণের বিচার হচ্ছে না। জুলুম -নির্যাতণের বিচার না হলে সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না।
ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা ও প্রচার সম্পাদক বিলাল আহমদ চৌধুরী বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের পরে নোয়াখীল সুবর্ণচরে একজন নারীকে ধর্ষণের মধ্য দিয়ে তাদের যাত্রা শুরু করেছিলো। আজকে তারা সরা দেশকে ধর্ষণের রাজ্যে পরিণত করেছে। সরকার এসব ধর্ষণকারীদের বিচার করতে না পারলে ক্ষমতা জনগনের কাছে ছেড়ে দিতে হবে। জনগণ এদের বিচার করবে।
সভাপতির বক্তব্যে ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সভাপতি কে এম ইমরান হুসাইন বলেন, সরকার ধর্ষণকারী সোনার ছেলেদের অপকর্মের বিচার করতে না পারলে দেশের জনগণ এ সরকারকে বিতাড়িত করতে বাধ্য হবে।
আপনার মতামত লিখুন :