দেশে ধর্ষণ জুলুম নির্যাতনের সুনামি চলছে : মাওলানা শফিক উদ্দিন

0
32
ঢাকা ৯ অক্টোবর খেলাফত মজলিসের সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশে ধর্ষণের ছয়লাব চলছে। জুলুম নির্যাতনের সুনামি চলছে। আজ বাংলাদেশের মানুষের কোন নিরাপত্তা নেই। এসব জুলুম অত্যাচার নির্যাতনকারীদের পরিচয় হচ্ছে তারা বর্তমান সরকারের ছাত্রলীগ। আরেক সংগঠন যুবলীগ লুটপাট আর মানুষের সম্পদ জবরদখলে ব্যস্ত। সরকারের প্রশ্রয়ের কারণে এসব অপরাধীদের কোন বিচার হচ্ছে না। প্রশাসন ও নিরাপত্তাবাহিনী যথাযথভাবে নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। সাম্প্রতিক ধর্ষণসহ সকল জুলুম নির্যাতনের কঠোর বিচার করতে হবে। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। এসব অপরাধিদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় গুরুত্বারোপ করতে হবে। ইসলামী বিধানমতে ধর্ষণকারীদের শাস্তির আইন পাশ করতে হবে। ধর্ষণ, হত্যা নির্যাতনের প্রতিবাদে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরীর মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আজ ৯ অক্টোবর শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফেসর ডাঃ রিফাত হোসেন মালিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাওলানা আজীজুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সংগঠনের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল হালিম, এডভোকেট মোঃ মিজানুর রহমান, অধ্যাপক মোঃ আবদুল জলিল, মুক্তিযোদ্ধা ফয়জুল ইসলাম, হাজী নূর হোসন, সাহাব উদ্দিন খন্দকার, প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, মাওলানা সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার, হুমায়ুন কবির আজাদ, মুফতি আজীজুল হক, আমীর আলী হাওলাদার, এ্যাডভোকেট এস এম সানাউল্লাহ, ছাত্র মজলিস নেতা কে এম ইমরান হোসাইন প্রমুখ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী বলেন, ধর্ষণ খুনের প্রতিবাদে আজ সারাদেশ উত্তাল। কিন্তু মনে রাখতে হবে ধর্ষকদের কাছে ধর্ষণের বিচার পাওয়া যাবে না। যতদিন ধর্ষকদের হাত থেকে জনগণের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না হয়, জনগণের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা না হয়, ততদিন পর্যন্ত জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না। বর্তমান সরকারের কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে এনে জনগণের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ডাঃ রিফাত হোসেন মালিক বলেন, এ সমাজ এখন জলন্ত নরকে পরিনত হয়েছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলতে চাই- আপনি আপনার ছাত্রলীগকে ঠেকান। ছাত্রলীগের কারণে আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। আর ছাত্রলীগকে ঠেকাতে না পারলে ক্ষমতা ছাড়ুন। অন্যথায় সরকার পতনের এক দফার আন্দোলন শুরু হবে।
আপনার মতামত লিখুন :