মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উদীয়মান সূর্য ছবিতে মুক্তি চরিত্রে কান্তা নুর

0
124
ইমরুল শাহেদ: মুক্তি নামটির একটা তাৎপর্য রয়েছে। ইন্ডিপেনডেন্স, লিবার্টি এবং ফ্রিডম – এই তিনটি শব্দের সমন্বয়ে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করা হয়েছে মুক্তি চরিত্রটিকে। শফিউল আজম শফি পরিচালিত এই ছবিটি খ্যাতি এনে দিতে পারে কান্তা নুরকে। এমনটাই প্রত্যাশা তার। তিনি বলেন, ‘আমার স্বপ্ন চলচ্চিত্রে প্রতিষ্ঠিত হব।’ এই স্বপ্ন অন্তরে নিয়ে তিনি চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেছেন। তার প্রথম ছবি বীর যোদ্ধা। এই ছবিতে কান্তার বিপরীতে নায়ক রয়েছেন হৃদয় রাজ। উদীয়মান সূর্য ছাড়াও ইতোমধ্যে কান্তা নুর শেষ করেছেন দীন ইসলাম পরিচালিত চরিত্র ছবিটি। এই তিনটি ছবিতেই আপাতত কান্তা নুরের ক্যারিয়ার সীমাবদ্ধ। তিনি বলেন, ‘মিডিয়া জগত এখন অনেক বিস্তৃত। নাটক, ধারাবাহিক, ওয়েব সিরিজ, মিউজিক ভিডিও – এমনি আরো অনেক ধারা চলমান আছে। অনেকেই এসবে কাজ করছেন। আমি কোনোটিতে কাজ করিনি। অফার পেয়েছি অনেক, সুযোগ নেইনি। চলচ্চিত্রে কাজ করব বলে অর্থের পেছনে ছুটছি না আমি।’
তিনি বলেন, ‘আমি অর্থের জন্য নাচের প্রোগ্রাম করি। আমার বেশির ভাগ নাচের প্রোগ্রামই হয় শিল্পকলা একাডেমিতে। নাচ প্রথমে শিখেছি প্রিন্স খানের কাছে। পরে শিখেছি মেহেদী হাসান লিটেলের কাছে। নাচ এখন আমার অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে।’ মুন্সীগঞ্জের মেয়ে কান্তা ছয় ভাইবোনের মধ্যে পঞ্চম। নাগরিক জীবনের বাইরে বড় হওয়া কান্তা বলেন, উদীয়মান সূর্য ছবিতে পাক হানাদার বাহিনী ঢাকা মহানগরের ওপর ঝাপিয়ে পড়ার পর পিতামাতা হারিয়ে চলে যান গ্রামে। সেখানেও শেষ রক্ষা হয়নি। সেনা বাহিনী সঙ্গে থাকা ভাইকে মেরে তাকে ক্যাম্পে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে মুক্তিযোদ্ধারা। এরপর তিনি মুক্তিযুদ্ধে যুক্ত হন। কান্তা বলেন, ‘পরিচালক আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপেই শিখিয়ে পড়িয়ে নিয়েছেন। অনেকটা আমাদের চরিত্রে যেন পরিচালকই অভিনয় করে গেছেন। আমার বিপরীতে নায়ক সাদমান সামী। তিনি খুবই ভালো অভিনয় করেছেন। তার কাছ থেকে অনেক সহযোগিতা পেয়েছি।’ কিন্তু কান্তা নুরের এখনো কোনো ছবি মুক্তি না পেলেও তার বর্ণনা থেকে বলা যায়, উদীয়মান সূর্যের মতো ঢাকার চলচ্চিত্রে হয়তো কান্তা নুরও হতে পারেন উদীয়মান কেউ একজন।
আপনার মতামত লিখুন :