ছিলেন সাংবাদিক হলেন মেয়র

0
84

ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় ৬৩ বছর পর প্রথম নারী মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাংবাদিক আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যা। তিনি ২৬ হাজার ৫০২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী শরিফুল ইসলাম পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৩৩৩ ভোট।

রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) চতুর্থ ধাপে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় প্রথম নারী মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন বন্যা।

নবনির্বাচিত মেয়র সাংবাদিক আঞ্জুমান আরা বেগম দীর্ঘদিন দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকা ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন।

আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যা বলেন, ‘একজন সাংবাদিক থেকে উঠে এসে আমি মেয়র নির্বাচিত হয়েছি। আমি পেশায় সাংবাদিক হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী আমাকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন জনগণের সেবা করার জন্য। ফলে পৌরসভার মানুষ বিপুল ভোটে আমাকে নির্বাচিত করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘মেয়র নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত আমার পরিচয় ছিল আমি একজন সংবাদকর্মী। যেহেতু দীর্ঘদিন ঠাকুরগাঁওয়ের অবহেলিত মানুষের কথাগুলো পত্রিকার পাতায় তুলে ধরেছি, সেহেতু পৌরসভার সব সমস্যা খুঁজে বের করে ঠাকুরগাঁও পৌরবাসীকে মডেল পৌরসভায় রূপান্তর করার কাজ করে যাব।’

ঠাকুরগাঁও সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সভাপতি প্রফেসর মনতোষ কুমার দে জানান, একজন সাংবাদিক দেশ ও জনস্বার্থে কাজ করেন। সেই সাংবাদিক যখন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে জনগণের পাশে দাঁড়াবেন তখন সাধারণ মানুষ সেবাটা বেশি পাবেন। ঠাকুরগাঁও পৌরসভাকে আধুনিক মডেল পৌরসভা গঠনে নিশ্চয়ই আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

ঠাকুরগাঁওয়ের সিনিয়র সাংবাদিক স্থানীয় সংগ্রামী বাংলার সম্পাদক আব্দুল লতিফ বলেন, ‘আমাদের সহকর্মী ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন, এটি অবশ্যই আনন্দের বিষয়। সাংবাদিক আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যা ঠাকুরগাঁও পৌরবাসীর সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ কাজ করবেন, এটাই আমাদের চাওয়া।’

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী বলেন, ‘পৌরসভার ইতিহাসে আমার সহকর্মী মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় নিজে গর্ববোধ করছি। আমরা সাংবাদিকরা সমাজের সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথাগুলো তুলে ধরি। মেয়র আঞ্জুমান আরা এখন থেকে সমস্যা সমাধানে কাজগুলো করতে পারবেন।’

আপনার মতামত লিখুন :