সেরা আচার তৈরির সম্মাননা ক্রেস্ট পেলেন উদ্যোক্তা রুনা আহমাদ

0
234
ঘরে বসে কাজ করে প্রযুক্তির কল্যানে এগিয়ে যাচ্ছে নারীরা। তারা অনেকেই অল্প পুজির উদ্যোগ গ্রহন করে ই কমার্স ও এফ কমার্সের মাধ্যমে তাদের পন্য বিপনন করছেন সারাদেশে, এমনকি দেশের বাইরেও।তেমনই আত্মবিশ্বাসী ও মেধাবী এক নারী উদ্যোক্তার নাম রুনা আহমাদ। তিনি আচার তৈরি করেন।আর তৈরি করেন ঘিয়ে ভাজা লাচ্ছা সেমাই শনপাপড়ি সহ মজাদার কিছু খাবার। যা নিজের পার্সোনাল ব্রান্ডিং কাজে লাগিয়ে সেল করেন অনলাইনে।
গত ২রা মার্চ “নারায়নগঞ্জ ফুড ফেস্টিভ্যাল ২১” এ রুনা আহমাদ তার ২৭ রকমের হোমমেড আচার নিয়ে অংশগ্রহন করেন। যেখানে ছিলো গরুন মাংসের আচার, নোনা ইলিশের আচার, নাগা মরিচের আচার, রসুনের আচার, কালোজিরার আচার সহ নানা ধরনের আচার। তিনি গত এক বছর যাবৎ তার উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছেন।
ফুড ফেস্টিভ্যালে রুনা আহমাদ সহ মোট ২৪ জন উদ্যোক্তা তাদের উদ্যোগের পন্য নিয়ে অংশগ্রহন করেন। ফুড ফেস্টিভ্যালের প্রধান অতিথি হয়ে উপস্থিত ছিলেন জাহিদ পারভেজ চৌধুরি। এডিশনাল পুলিশ সুপার ডিবি নারায়নগঞ্জ। সেখানে সবার হোমমেড হাইজেনিক পন্য প্রদর্শনের পাশাপাশি বিক্রিও করেন। নির্ভেজাল হোমমেড খাবার প্রেমিদের সমাগম হয় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত। সেখানে সেরা আচার তৈরি ও বিপননের জন্য সম্মাননা ক্রেস্ট দেয়া হয় রুনা আহমাদ কে।
সন্ধ্যায় অংশ নেয়া উদ্যোক্তাদের মধ্যে থেকে ছয়টি ক্যটাগড়িতে ছয়জন উদ্যোক্তাকে দেয়া হয় এ সম্মাননা ক্রেষ্ট। রুনা আহমাদ ছাড়াও বাকি ৫জন উদ্যোক্তা হলেন,সেরা প্রধান খাবার, শাহজাদী রহমান, সেরা মিষ্টান্ন, মানকেক সেরা কেক, নিশিথা সেরা অর্গানিক ফুড, ইথিনিক এর শামীম, সেরা পিঠা, তানজিলা কাদির।
তাদের হাতে এই ক্রেস্ট তুলে দেন ফুড ফেস্টিভ্যালের আহবায়ক জান্নাত সুলতানা।
সেরা আচারের সম্মাননা ক্রেস্ট পেয়ে রুনা আহমাদ জানান, এই সম্মান তার দায়িত্ব আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। তার তৈরি আচার ইতিমধ্যেই পৌছে গেছে দেশের প্রায় ৪০ টি জেলায়। এই পন্য সহ হাইজেনিক হোমমেড খাবার আইটেম নিয়ে তিনি এগিয়ে যেতে চান আরো অনেক দূর। তার উদ্যোগ ও পেইজের নাম, হোমমেড দেশিপন্য।
তিনি এর আগেও তিন মাসে এক লাখ টাকার আচার সেল করে লাখপতি উদ্যোক্তা সম্মাননা পান ওমেন্স এন্ড ই কমার্স ফোরাম গ্রুপের মিট আপে।
আপনার মতামত লিখুন :