শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পালিত হবে অটিজম সচেতনতা দিবস

0
54

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২১’ উদযাপন করা হবে। দিনটিতে দেশের সব স্কুল-কলেজে নীল বাতি প্রজ্বলন, আলোচনা ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে বুধবার (৩১ মার্চ) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী সই করা একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাউশির অধীনে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অফিসগুলোতে ১৪তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২১ উদযাপন করা হবে। এ দিনকে কেন্দ্র করে আগামী ৩ এপ্রিল সব স্কুল-কলেজে নীল বাতি প্রজ্বলন করা হবে। এ দিনের তাৎপর্য তুলে ধরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সচেতনতায় অনলাইনে আলোচনা ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করতে বলা হয়েছে। ‘মহামারিত্তোর বিশ্বে ঝুঁকি প্রশমন, কর্মক্ষেত্রে সুযোগ হবে প্রসারণ’ এ প্রতিপাদ্যে এবার বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালন করা হবে।

যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সবাইকে এটি বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

এদিকে সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে একটি বিশেষ অনুরোধে কওমি মাদরাসাগুলো চালুর অনুমতি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ অনেকগুণ বেড়ে গেছে। অনেকে মারা যাচ্ছেন। আজও অনেকে মারা গেছেন। এজন্য সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কওমি মাদরাসাগুলোও এর অন্তর্ভুক্ত থাকবে।’

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে ১৮ দফা নির্দেশনা দেয়া হয়। এর মধ্যে একটি নির্দেশনা হচ্ছে, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অর্থাৎ প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে প্রাথমিক, মাদরাসা, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আল হাইয়াতুল উলয়া লিল জামিয়া কওমিয়া বাংলাদেশের সদস্য মুফতি নুরুল আমিন বলেন, ‘আমরা এখনও কোনো নির্দেশনা হাতে পাইনি। নির্দেশনা পেলে বসে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ২৫ মার্চ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান আগামী ঈদুল ফিতরের পরে ২৩ মে থেকে শুরু হবে।

এতে আরও বলা হয়, ‘বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে সম্প্রতি চলমান করোনা মহামারিতে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এবং কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান আগামী ঈদুল ফিতরের পর ২৩ মে শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

এই সময়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন। তবে কওমি মাদরাসায় সব ধরনের কার্যক্রম সচল রাখার ঘোষণা দেয়া হয়। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করায় কওমি মাদরাসাসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন :