আল্লাহর নাফরমানি করা থেকে বাঁচার দোয়া

0
54

হেদায়েত পাওয়ার মাস রমজানের শেষ দশক চলছে। রমজানের শেষ জুমআর দিনে নাফরমানি ও অবধ্যতা থেকে বেঁচে থাকতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনার বিকল্প নেই। তাই দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণ এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়ার উদ্দেশ্যে তার অবাধ্যতা ও নাফরমানি থেকে বেঁচে থাকতে এ দোয়াটি বেশি বেশি পড়া-
اَللَّهًمَّ اِنِّى أَسْئَا لُكَ فِيْهِ مَا يُرْضِيْكَ وَ اَعُوْذُبِكَ مِمَّا يُؤْذِيْكَ وَ اَسْأَلُكَ التَّوْفِيْقَ فِيْهِ لِاَنْ اُطِيْعَكَ وَلَا اَعْصِيْكَ يَا جَوادَ السَّائِلِيْنَ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ফিহি মা ইয়ুরদিকা; ওয়া আউজুবিকা মিম্মা ইয়ুজিকা; ওয়া আস্‌আলুকাত তাওফিক্বা ফিহি লিআন উত্বিআকা ওয়া লা আচিয়াকা; ইয়া ঝাওয়াদাস সায়িলিন।

অর্থ : হে আল্লাহ! আজ তোমার কাছে ওই আবেদন করছি, যাতে রয়েছে তোমার সন্তুষ্টি। যা কিছু তোমার কাছে অপছন্দনীয়, তা (সেই অবাধ্যতা) থেকে তোমার আশ্রয় চাই। তোমারই আনুগত্য করার এবং তোমার নাফরমানী থেকে বিরত থাকার তাওফিক চাই। হে আবেদনকারীদের প্রতি শ্রেষ্ঠ দানশীল।

মনে রাখা জরুরি-
রমজানের নামাজ, রোজা, ইবাদত-বন্দেগিসহ যাবতীয় ভালো কাজ যেন রমজানের পরেও অব্যাহত থাকে সেই প্রার্থনা বেশি বেশি করা। বাকি দিনগুলোতে লাইলাতুল কদর তালাশ করার পাশাপাশি প্রিয় নবির বিশেষ দোয়াটিও বেশি বেশি পড়া জরুরি। হাদিসে এসেছে-
হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, একবার আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম- হে আল্লাহর রাসুল! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনি বলে দিন, আমি যদি লাইলাতুল কদর কোন রাতে হবে তা জানতে পারি, তাতে আমি কী (দোয়া) পড়বো?

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি বলবে-
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عُفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুয়্যুন; তুহিব্বুল আফওয়া; ফাফু আন্নি।’
অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল; ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন। (মুসনাদে আহমাদ, ইবনে মাজাহ, তিরমিজি, মিশকাত)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, রমজানের শেষ দশকের প্রতিটি রাতে ক্ষমা প্রার্থনার বিশেষ এ দোয়াটি বেশি বেশি পড়া। পরকালের সফলতায় আল্লাহর কাছে অপছন্দনীয় যে কোনো কাজ থেকে বিরত থাকতে তার কাছে আশ্রয় প্রার্থনার বিকল্প নেই।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তার অপছন্দনীয় অন্যায় ও খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। ভালো কথা ও কাজের মাধ্যমে পরকালের সফলতা লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

আপনার মতামত লিখুন :