বাচ্চাদের মধ্যে বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ, কোন কোন উপসর্গ এখন বেশি দেখা যাচ্ছে?

0
109

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাজেহাল গোটা দেশ। এ বছর বাদ যাচ্ছে না ছোটরাও। তাদের মধ্যেও ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। চিকিৎসকেরা বারবার বলছেন, বাচ্চারা কোভিডের কারণে খুব গুরুতর অসুস্থ হয়ে প়়ড়ছে না। কিন্তু তা-ও সব রকম ভাবে সতর্ক থাকা জরুরি। বাচ্চাদের মধ্যে সাধারণত মৃদু উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। যেগুলো প্রথমে অনেক অবিভাবকই কোভিডের উপসর্গ বলে বুঝতে পারছেন না। এক নজর দেখে নিন, সেগুলি কী।

পেটে ব্যথা

এ বছর রূপ পরিবর্তিত ভাইরাস সংক্রমণের অন্যতম উপসর্গ পেটের সমস্যা।

বাচ্চাদের মধ্যেও সেটা দেখা যাচ্ছে। হঠাৎ পেট ফুলে যাওয়া, পেটে ব্যথা, হজমের সমস্যা, পেট ভারী লাগা— এ সবই হতে পারে কোভিডের উপসর্গ। হঠাৎ যদি আপনার সন্তান খেতে না চায় এবং খিদে না থাকার অভিযোগ করে, তা হলেও সতর্ক হতে হবে।

ডায়রিয়া

বাচ্চাদের মধ্যে বমি এবং খুব বেশি পেট খারাপের লক্ষণ দেখলে সাবধান হতে হবে। বাচ্চাদের কোভিড সংক্রমণের অন্যতম উপসর্গ ডায়রিয়া।

জ্বর

জ্বর বেশির ভাগ ভাইরাল অসুখের অন্যতম উপসর্গ। তবে কোভিডের কারণে জ্বর এলে সঙ্গে কাঁপুনি, ক্লান্তিভাবও দেখা যাচ্ছে। তাই সতর্ক থাকুন। এমনিতে বাচ্চাদের একটু বেশি জ্বর আসতেই পারে। কখনও কখনও দেহের তাপমাত্রা ১০২ ডিগ্রিও ছুঁতে পারে। তবে সাধারণত ২-৩ দিনের মধ্যে এই জ্বর ঠিক হয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। তবে আপনার সন্তানের জ্বর যদি ৫ দিনের বেশি থাকে, তা হলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।


কাশি-ঠান্ডা লাগা

প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বাচ্চাদের মধ্যে কোভিডের জন্য ফুসফুসে সংক্রমণ খুব একটা শোনা যায়নি। তবে ঠান্ডা লাগা, টানা কাশি, গলা ব্যথার মতো কিছু উপসর্গ দেখা দিতেও পারে। পাশাপাশি জ্বর বা পেটের সমস্যা থাকলে অবশ্যই কোভিড পরীক্ষা করান।

ক্লান্তভাব

বাচ্চা কি হঠাৎ খুব ক্লান্ত বোধ করছে? অল্পতেই হাঁপিয়ে যাচ্ছে? টানা ঘুমের সমস্যা হচ্ছে? এগুলিও সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে।

অদ্ভুত র‌্যাশ

বাচ্চাদের মধ্যে র‌্যাশ বা অন্য ত্বকের সমস্যা এবং ‘কোভিড টোজ’ প্রথম দেখা গিয়েছিল গত বছরই। প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি নানা রকম ত্বকের সমস্যা বাচ্চাদের মধ্যে কোভিড সংক্রমণের অন্যতম উপসর্গ। এমনিতে বাচ্চাদের নানা রকম র‌্যাশ লেগেই থাকে। তবে যদি তাদের শরীরে কোনও অদ্ভুত লালচে দাগ, বা ফুশকুরি বা র‌্যাশ চোখে পড়ে তা হলে সতর্ক হন। হাত পায়ের নখ হঠাৎ ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে কি না, সেটাও খেয়াল রাখুন।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

আপনার মতামত লিখুন :