‘শরিয়াহ আইনে’ চলবে আফগানিস্তান

0
34

আফগানিস্তানের কাবুল নিয়ন্ত্রণের তিন সপ্তাহ পর মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) তত্ত্বাবধায়ক সরকার ঘোষণা করেছে তালেবান। মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ হয়েছেন দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী। এরই মধ্যে আফগান নতুন সরকারকে ‘শরিয়াহ আইন’ বাস্তবায়ন করার কথা বলেছেন ক্ষমতাসীন তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা।

২০ বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে ৩১ আগস্ট আফগানিস্তান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার সমাপ্ত ঘোষণার আট দিন পর নতুন সরকার ঘোষণা করলো তালেবান। মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ এ ঘোষণা করেন।

বিশ্বের শক্তিশালী রাষ্ট্রনেতারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন ২০ বছর আগে ক্ষমতায় থাকা তালেবান আবার সেই শরিয়া আইনে ফিরে যায় কি না, যখন তারা এরই মধ্যে আধুনিক শাসনব্যবস্থা প্রবর্তনের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

১৫ আগস্ট আফগানিস্তান তালেবানের নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনও প্রকাশ্যে আসেননি আখুন্দজাদা। তবে তার এক বিবৃতি প্রকাশ পায় মঙ্গলবার(৭ সেপ্টেম্ব)

Afgan-new-law-3

বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমি দেশবাসীকে এটা আশ্বস্ত করতে চাই যে ইসলামিক আইন ও শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করতে এ সরকার কঠোর পরিশ্রম করবে।

পরে তিনি বিদেশি শাসন থেকে মুক্তি লাভ করায় দেশবাসীকে অভিনন্দন জানান। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের সব ধরনের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন সরকার কাজ করতে যাচ্ছে।

আখুন্দজাদা বলেন, আন্তর্জাতিক আইন মেনে ও বাণিজ্যিক সুসর্ম্পক এবং প্রতিশ্রুতি বজায় রেখে কাজ করতে চান তারা যেটির ইসলামের সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব নেই।

Afgan-new-law-3

তালেবানের এ নেতা বলেন, ভবিষ্যতে আফগানিস্তানের সব কর্মকাণ্ডই পরিচালিত হবে শরিয়াহ আইন মোতাবেক।

এদিকে, তালেবানের মুখপাত্র মুজাহিদ নতুন সরকারে নিয়োগ পাওয়া ভারপ্রাপ্ত নেতাদের নাম ঘোষণা করার পর বলেন, ভবিষ্যতে পরিবর্তনও আসতে পারে।

তালেবানের আরেক মুখপাত্র আহমেদুল্লাহ ওয়াসিক বিবিসিকে নিশ্চিত করেন আফগানিস্তান এখন দ্যা ইসলামিক আমিরাত অব আফগানিস্তান নামে পরিচিতি পাবে যেটি ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের তৎকালীন তালেবান সরকার একই নামে দেশ পরিচালনা করেছিল।

সূত্র: এএফপি, রয়টার্স

আপনার মতামত লিখুন :