একটা শরীর এবং আমি মিজান মিলকী

0
43
সর্বনাশা নিষিদ্ধ কুটিরে গাঢ় পিঙ্গলাভ শ্বেত লোনাজলের অবারিত শ্রোতধারা,
সুখ কারবারিদের ফুরসত নেই কালক্ষেপণের
সময় এখন ত্রিমাত্রিক আদিখ্যেতায় উত্তাল।
একাকী আমি, বারবার আয়নায় আমি আমাকেই দেখি আর বিবস্ত্র করি নিজেকে জিবনযুদ্ধে পরাজিত,
এই জীবন্মৃত আমাকেই ,
তবুও তিলোত্তোমা শহরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি বেঁচে থাকার প্রত্যাশায়।
গুঁই সাপের লেজে ভয়ংকর বিষ,কম্পিটিশন করিনা তার সাথে।
আমার প্রয়োজনটি আমাকে স্তব্ধ করে দেয়, প্রযুক্তির সাথে ভাগাভাগি করি আমার ভাগ্য!
আমি প্রস্তুত হই আরেকটা যুদ্ধের জন্য যেখানে থাকবে আদ্যপ্রান্ত আমার স্বাধীনতা।
সাম্রাজ্যের আরেক নন্দিত নগর যেখানে থাকবেনা বৈরাগী বানরের রাজত্ব।
গোলামের গোলামদের হীন কসরৎ আর আমার সমুচিত জবাব তাতো সময়ের অপেক্ষায়,
হয়তো জয়ের জন্যই এই সাময়িক পিছুটান।
 
কোন এক বারোয়ারী নারীর অধঃপ্রেমের স্বীকার জীবন্মৃত এক নচ্ছার,
অন্তর্বাসহীন সাদা ফিনফিনে ভেজা শারির আড়াল থেকে বেড়িয়ে আসা বক্ষযুগল,
সাদা ফিনফিনে শারির ভেতরকার জগতে শরীরের প্রতিটি কামুকতা, নিতম্বিনী আকর্ষণীয় দেহের ভাঁজে ভাঁজে, শরীরের পেহলভ পল্লীতে মেখেদেয়া মাতালকরা সুগন্ধি ঘ্রাণ, লোলুপতায় বারবার নাড়া দেয় দেহমনে, শিরা-উপশিরায়।
সে কারনেই ধংসের শেষ প্রান্তে জনতার অচেনা শত্রুরা সংযোজন বিয়োজন করছে সোনালী সূর্যের আলো।
হয়তো আবার উদয়হবে চেতনার, অবসান হবে
ধর্মাশ্রয়ী বাণিজ্যের,অবসান হবে দেশপ্রেমে দুর্ভিক্ষের, আলোকিত হবে আমাদের শহীদমিনার,
অবরুদ্ধ সময় ফিরে আসবে প্রিয় স্বাধীনতা হয়ে আগের মতই আঁচল ভরা লাল সবুজের অক্ষ্যরেখায়।
আপনার মতামত লিখুন :